করোনা সংক্রমন ৫ শতাংশের নিচে নামলে স্কুল খুলবেঃ মাউশি মহাপরিচালক

দৈনিক শিক্ষাবার্তাঃ গত ১৪ মাস ধরে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। সর্বশেষ ঘোষনা অনুযায়ী আগামী ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন চলবে। এরপর আরো এক সপ্তাহ লকডাউন দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও ঈদের পর ২৩ মে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা, তবে খুলবে কিনা সেটা অনিশ্চিত।

এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক বলেন, করোনা সংক্রমন ৫ শতাংশে নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।এরপর এসএসসি ও এইচএসসি পরিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস অনুসারে ক্লাস শুরু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেনীর ক্লাসও শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, লকডাউন শেষ হলে শিক্ষার্থীদের এসাইন্টমেন্ট গ্রহন শুরু হবে। আগের এসাইন্টমেন্ট গুলো যাছাই বাছাই করা হবে। শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে সমাধানের ব্যাবস্থা করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের যে গ্যাপ তৈরী হয়েছে তা পুরনে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা আবারো সরকারি অনুদান পাচ্ছেন –করোনা মহামারীর কারনে দীর্ঘদিন থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সব চেয়ে বেশি বিপদে আছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীরা। তাই, এসব শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রনালয় সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের বেতন থেকেই শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়া হয়।কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষকদের নিয়মিত বেতন ভাতা পরিশোধ করতা পারছে না। ফলে চরম অর্থনৈতিক সংকটে আছেন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা। গতবছর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষক কর্মচারীদের ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারীদের আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এবিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্ছ মহলের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। গতবছরের সমপরিমান টাকা এবছরও পাবেন শিক্ষক কর্মচারীরা। এছাড়াও গতবছর যারা পেয়েছেন তারাই অনুদান পাবেন।

কতজন টাকা পাচ্ছেন সে বিষয়ে মন্ত্রী জানান, গতবছর যারা বরাদ্দ পেয়েছেন এবছর তারাই পাবেন।উল্লেখ্য- গত বছর শিক্ষকরা ৫ হাজার টাকা ও কর্মচারীরা আড়াই হাজার টাকা পাবেন।যাতে প্রকৃত শিক্ষকরাই অনুদান পায় তাই বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যা ব্যুরো কে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুত্রঃ বাংলাদেশ জার্নাল